শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮

কোরবানী শরিয়তের বিধান হওয়ার দলিল-প্রমাণ এবং এ দলিলগুলো কোরবানি ওয়াজিব হওয়া নির্দেশ করে; নাকি মুস্তাহাব হওয়া?

কোরবানী শরিয়তের বিধান হওয়ার দলিল-প্রমাণ এবং এ দলিলগুলো কোরবানি ওয়াজিব হওয়া নির্দেশ করে; নাকি মুস্তাহাব হওয়া?



কোরবানী শরিয়তের বিধান হওয়ার দলিল-প্রমাণ এবং এ দলিলগুলো কোরবানি ওয়াজিব হওয়া নির্দেশ করে; নাকি মুস্তাহাব হওয়া?

প্রশ্ন: আমি আপনাদের ওয়েবসাইটে বিদ্যমান কোরবানী সংক্রান্ত ফতোয়াগুলো পড়েছি। সেগুলোতে কোরবানীকে সুন্নত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু, এর পক্ষে জোরালো কোন দলিল ওয়েবসাইটে নেই। অনুগ্রহ করে আপনারা কোরবানী করা সুন্নত; ওয়াজিব নয়‑ এই মর্মে কিছু দলিল কি উল্লেখ করতে পারেন? বিশেষতঃ "যে ব্যক্তির সামর্থ্য রয়েছে, কিন্তু কোরবানী করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়" [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-৩১২৩] এ হাদিস সম্পর্কে কী বলবেন?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

শুক্রবার, ৩ আগস্ট, ২০১৮

ফাজায়েলে আ’মাল বা এই জাতীয় কিতাব পড়া জায়েজ নয়

ফাজায়েলে আ’মাল বা এই জাতীয় কিতাব পড়া জায়েজ নয়




ফাজায়েলে আ’মাল পড়া জায়েয নয় এবং এতে বর্ণিত কাহিনীতে বিশ্বাস করে এমন ইমামের পেছনে নামায পড়াও জায়েয নয়


সৌদী আরবের গবেষণা ও ফাত্‌ওয়া ইস্যুকারী স্থায়ী কমিটির ফতোয়া নাম্বার – ২১৪১২
ফাত্‌ওয়া আল-লাজ্‌নাহ আদ্-দা’ইমাহ, খণ্ড- ২, পৃষ্ঠা- ২৮২-২৮৪। 

প্রশ্নঃ

শাইখ মুহাম্মাদ যাকারিয়া (রহ) ভারত ও পাকিস্তানের বিখ্যাত ধর্মীয় পণ্ডিতগণের মধ্যে একজন, বিশেষ করে তাবলীগ জামায়াতের (ইসলামের দিকে ডাকে এমন একটি দল) অনুসারীদের মধ্যে। তাঁর লিখা অনেকগুলো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে “ফাজায়েলে আ’মাল” একটি, যেটি তাবলীগী গ্রুপগুলোর ধর্মীয় আলোচনার সময় পড়া হয়ে থাকে এবং যেটিকে এই গ্রুপের সদস্যরা সহীহ আল বুখারীর মতই শ্রদ্ধা করে। আমি তাদের মধ্যে একজন ছিলাম। এই বইটি পড়তে গিয়ে আমি দেখলাম যে এর মধ্যে কিছু কিছু বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও অবিশ্বাস্য। সুতরাং আমি আমার এই সমস্যাটা আপনাদের সুবিখ্যাত কমিটির কাছে পেশ করছি, এই আশায় যে আপনারা এর সমাধান দিতে পারবেন। এই বর্ণনাগুলোর মধ্যে হচ্ছে আহমেদ রিফাঈর লিখা একটি বর্ণনা, যেখানে তিনি দাবী করেন যে হজ্জ্ব সমাপনের পর তিনি রাসুলুল্লাহ, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জেয়ারত করতে যান এবং নিম্নলিখিত কবিতাংশটি পাঠ করেনঃ

“যখন আমি দূরে ছিলাম, আমি আমার আত্মাকে পাঠিয়ে দিতাম আমার পক্ষ থেকে মাটিকে চুম্বন করার জন্যে। এখন যেহেতু আমি স্বশরীরে ও আত্মায় উপস্থিত, আপনার ডান হাত বাড়িয়ে দিন যেন আমি চুম্বন করতে পারি।”

এই বাক্যগুলো পড়ার পর রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ডান হাত বের হয়ে আসে আর তিনি তাতে চুম্বন করেন। এই ঘটনাটি বর্ণিত আছে আস সুয়ূতী রচিত “আল হাওয়ী” নামক গ্রন্থে।

তিনি আরো দাবী করেন যে এ মহান ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী ছিল প্রায় ৯ (অথবা ৯০) হাজার মুসলিম এবং তারা সবাই সেই বরকতময় হাতও দেখতে পান, যার মধ্যে শাইখ আবদুল কাদের জ্বিলানী (রহ) ও তখন মসজিদে নববীতে ছিলেন। এই কাহিনীর আলোকে আমি নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলো উত্থাপন করতে চাইঃ

১। এটি কী কোন সত্য ঘটনা নাকি ভিত্তিহীন গল্প?

২। সুয়ূতী রচিত “আল হাওয়ী” কিতাবটির সম্বন্ধে আপনাদের মত কী যেটির মধ্যে এই কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে?

৩। যদি এই গল্প সঠিক না হয়, এমন কোন ঈমামের পেছনে নামাজ পড়া জায়েজ হবে কী যেই এই গল্পটি বয়ান ও বিশ্বাস করেন?

৪। এমন কিতাব কোন মসজিদের ধর্মীয় আলোচনা সভায় পড়া জায়েজ হবে কী, যেহেতু ব্রিটেনে তাবলীগ গ্রুপগুলি মসজিদে এই কিতাবটি পড়ে থাকে? এই বইটি সৌদী আরবেও ব্যাপক প্রচলিত, বিশেষ করে মদীনা মুনাওয়ারাতে কারণ এর লেখক দীর্ঘ সময়ের জন্য সেখানে বসবাস করতেন।

শ্রদ্ধেয় উলামাবৃন্দ, দয়া করে আমাদেরকে সন্তোষজনক জবাব দিয়ে পথ দেখাবেন কী, যেন আমি এটিকে স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ করে বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও অন্য সকল মুসলিমদের মাঝে বিলি করতে পারি এই বিষয়ে কথা বলার সময়?

উত্তরঃ

এই গল্পটি মিথ্যা এবং একদম ভিত্তিহীন। মৃতব্যাক্তি সম্বন্ধে সাধারণ নিয়ম হচ্ছে, নবী-রাসুল বা সাধারণ মুসলিম যেই হোন না কেন, তিনি তাঁর কবরে নড়া-চড়া করতে পারেন না। যে বর্ণনা করা হয় যে রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাফেঈ-র জন্যে বা অন্য কারো জন্যে তাঁর হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন – এটি সত্য নয়; বরং এটি একটি ভিত্তিহীন বিভ্রম, যা কোনমতেই বিশ্বাস করা উচিত নয়।

বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮

স্বামী-স্ত্রী দুইজনের মাঝে তীব্র বিরোধ, আমরা কি তাকে তালাক দেয়ার উপদেশ দিব?

স্বামী-স্ত্রী দুইজনের মাঝে তীব্র বিরোধ, আমরা কি তাকে তালাক দেয়ার উপদেশ দিব?



স্বামী-স্ত্রী দুইজনের মাঝে তীব্র বিরোধ, আমরা কি তাকে তালাক দেয়ার উপদেশ দিব?

প্রশ্ন: আমি একজন বিবাহিত পুরুষ। আমার কয়েকজন সন্তান ও একজন স্ত্রী রয়েছে। কিন্তু, স্ত্রীর সাথে সব সময় আমার ঝগড়া লেগে থাকে। আমি অনেকবার তার সাথে আমার সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছি; কিন্তু কোন কাজ হয় নাই। সে তালাকের প্রতি সন্তুষ্ট নয়। জৈবিক দিক থেকেও সে আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারছে না। আমাদের এখানে প্রথাগতভাবে দ্বিতীয় বিবাহ অনুমতি নয়। কিংবা মানুষ বিবাহিত পুরুষের কাছে তাদের মেয়েদেরকে বিয়ে দেয় না। আমার আশংকা হচ্ছে- এভাবে চলতে থাকলে আমি হারামে লিপ্ত হতে পারি। আপনারা আমাকে অবহিত করুন ও গাইড করুন। আমি আশা করব আপনারা আমাকে উপদেশ দিবেন, কিভাবে আমি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। এর ভাল সমাধান কী হতে পারে? আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন।

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই, ২০১৮

পবিত্রতার ক্ষেত্রে ওয়াসওয়াসা এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায়

পবিত্রতার ক্ষেত্রে ওয়াসওয়াসা এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায়



পবিত্রতার ক্ষেত্রে ওয়াসওয়াসা এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায়

প্রশ্ন: আমি ওয়াসওয়াসা বা শুচিবায়ুর সমস্যায় ভুগে আসছি। প্রায় সময় আমি শুচিবায়ুর কারণে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ি যে, আমার ওযু ছুটে গেছে; নাকি যায়নি। এরপর এ নিয়ে আমি নিজের সাথে ঝগড়া করতে থাকি। যখন আমি পাকস্থলিতে কিছু শব্দ শুনতে পাই তখন আরও বেশি হতবুদ্ধি হয়ে পড়ি। আমি যেটা জানি সেটা হচ্ছে- এ শব্দের কোন ধর্তব্য নেই। কিন্তু কিছু শব্দ পায়ুপথেও হয়ে থাকে। আমি যা থেকে মুক্ত হতে পারছি না। এ ধরণের ক্ষেত্রে কি কোন সমস্যা আছে; নাকি এতে ওযু ভেঙ্গে যাবে? সবসময় ওযু করা সহজ কাজ নয়; বিশেষতঃ আমি যখন ইউনিভার্সিটিতে থাকি বা বাসার বাহিরে থাকি। কারণ এর জন্য অনেক সময় প্রয়োজন হয়। আমাকে হিযাব খুলতে হয়, মোজা খুলতে হয়। এছাড়া নির্ঝঞ্ঝাটে আমার ইবাদত পালন বাধাগ্রস্ত হয়। তবে, কার্যত যদি আমার ওযু ভেঙ্গে গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আমার ওযু করতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু, আমি ওয়াসওয়াসার কারণে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। আমার শুধু মনে হয় যদি আমার ওযু না ভেঙ্গে থাকে, কিন্তু আমি পুনরায় ওযু করলাম এতে তো কোন ক্ষতি নেই। কিন্তু আমি যদি নামায ছেড়ে না দেই, আমার নামায যদি কবুল না হয়। কেননা আমি ধারণা করতেছি আমার ওযু আছে। কিন্তু, বাস্তবে হয়তো আমার ওযু নেই। আমি খুবই উদ্বিগ্ন, আল্লাহ্‌ কি আমার তওবা ও আমার ইবাদত কবুল করবেন; নাকি করবেন না। উদাহরণতঃ সম্প্রতি আমি জেনেছি যে, ওযুর ক্ষেত্রে আমার একটা ভুল হত সেটা হচ্ছে- শুধু শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে কানের ছিদ্র পরিস্কার করলে হবে না; গোটা কান পরিস্কার করতে হবে। এরপর থেকে আমি সঠিকভাবে সেটা করে আসছি। কিন্তু, আমি চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন আমার আগের ওযু ও নামাযের ব্যাপারে; এই ভুলের কারণে না জানি কবুল না হয়। আমি বুঝতে পারছি যে, আমি বাধ্যগত শুচিবায়ুতে আক্রান্ত। কখনও কখনও নামাযের মধ্যে আমার এমন কিছু উদ্ভট চিন্তা ও চোখের সামনে কিছু উদ্ভট চিত্র ভেসে উঠে; যেগুলো নিয়ে আমি চিন্তা করতে চাই না। আমার মনে হয়, এগুলো আমার নামায নষ্ট করে দিল। সুনির্দিষ্টভাবে নাপাকিটা কী? ধুলা? চুল? পায়খানার গন্ধ?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

রবিবার, ১ জুলাই, ২০১৮

শরয়ি আমলগুলোর স্তরভেদ ও প্রত্যেক স্তরের উদাহরণ

শরয়ি আমলগুলোর স্তরভেদ ও প্রত্যেক স্তরের উদাহরণ



শরয়ি আমলগুলোর স্তরভেদ ও প্রত্যেক স্তরের উদাহরণ

প্রশ্ন: ফরয (আবশ্যকীয়), মুস্তাহাব (আবশ্যকীয় নয়), মুবাহ (ঐচ্ছিক), মাকরুহ (অপছন্দনীয়) ও হারাম (নিষিদ্ধ)। আমি আশা করব, আপনারা আমাকে প্রত্যেক শ্রেণীর একটি করে উদাহরণ জানাবেন।

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

শনিবার, ৩০ জুন, ২০১৮

পেশাব করার পর নিজের পোশাকের পবিত্রতার ব্যাপারে সন্দেহ হচ্ছে

পেশাব করার পর নিজের পোশাকের পবিত্রতার ব্যাপারে সন্দেহ হচ্ছে




পেশাব করার পর নিজের পোশাকের পবিত্রতার ব্যাপারে সন্দেহ হচ্ছে

প্রশ্ন: আমি পড়াশুনার জন্য বিদেশে অবস্থানরত ছাত্র। আমি সারাদিন আমার কর্মস্থলে কাটিয়ে থাকি। যখন আমার পেশাব করার প্রয়োজন হয় তখন আমি দাঁড়িয়ে পেশাব করি। সেটা এ কারণে যে, বসার স্থানে নাপাকি থাকতে পারে। তাছাড়া মানসিকভাবে আমি সেখানে বসাটাকে গ্রহণ করতে পারছি না। তবে আমি সাধ্যমত চেষ্টা করি যাতে করে পেশাবর ছিটা থেকে নিরাপদ থাকতে পারি। আমি পেশাব থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য টিস্যু পেপার ব্যবহার করি। (সতর্কতার সাথে) দাঁড়িয়ে পেশাব করার পরও পেশাবের বিন্দু বিন্দু যে ফোটা পায়জামাতে পড়ে থাকতে পারে সেটার হুকুম কি? এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া; আর ধারণা হওয়া দুই ক্ষেত্রের বিধান কি আলাদা? এক্ষেত্রে কি শুধু পানি ছিটিয়ে দেয়া যথেষ্ট; নাকি যে স্থানে পেশাবের ছিটা পড়েছে বলে ধারণা হয় সে স্থান মুছে ফেলতে হবে? এ সম্পর্কে বেশি বেশি প্রশ্ন করা কি ওয়াসওয়াসা বা শুচিবায়ু?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

শিশুদের নাম রাখার আদবসমূহ

শিশুদের নাম রাখার আদবসমূহ




শিশুদের নাম রাখার আদবসমূহ

প্রশ্ন: আমি আমার ছেলের নাম রাখতে চাই। এ সংক্রান্ত ইসলামী আদবগুলো কি কি?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

যিনি তার মৃত পিতাকে ভালবাসেন এবং তাঁর প্রতি ইহসান করতে চান

যিনি তার মৃত পিতাকে ভালবাসেন এবং তাঁর প্রতি ইহসান করতে চান



যিনি তার মৃত পিতাকে ভালবাসেন এবং তাঁর প্রতি ইহসান করতে চান

প্রশ্ন: আমি আপনার কাছে এ প্রশ্নটি পাঠাচ্ছি ঠিক কিন্তু আমার পিতা (আল্লাহ্‌র তাঁকে দয়া করুন)-এর ব্যাপারে উদ্বিগ্নতা আমাকে তাড়িত করছে। আমার পিতা মারা গেছেন দুই বছর হল। বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের অধিকার আদায়ে তাঁর কসুর ছিল। যেমন- 
১. তিনি নিয়মিত ফরয নামায আদায় করতেন না। কখনও নামায পড়তেন। কখনও অলসতা করে নামায পড়তেন না। কিন্তু, নামাযের ফরযিয়তকে অস্বীকার করতেন না। 
২. তিনি খুব কম সময় রমযানের রোযা রাখতেন। তিনি যুক্তি দিতেন যে, তিনি অসুস্থ। তাকে হার্টের ঔষুধ খেতে হয়, তিনি দুর্বল রোযা রাখতে পারেন না। তিনি ধুমপায়ী ছিলেন। আমার ধারণা তিনি যেহেতু ধুমপান বাদ দিতে পারতেন না তাই নিয়মিত রোযা রাখতেন না। 
৩. দীর্ঘদিন আগে আমাদের একটি মুদি দোকান ছিল। আমার জানা মতে ও যতটুকু আমার স্মরণে আছে তিনি দোকানের পণ্য সামগ্রীর যাকাত আদায় করতেন না। আমাদের আর্থিক সংকট ছিল। ব্যবসাতে আমরা লাভবান হতে পারিনি। তাই পরবর্তীতে আমরা দোকানটি বিক্রি করে দিয়েছি। 
৪. কখনও তিনি হয়তো এমন পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন যা দিয়ে হজ্জ করতে পারতেন; কিন্তু তিনি হজ্জ আদায় করেননি। তিনি সব সময় আমাকে বলতেন: আমি হজ্জে যেতে চাই; কিন্তু পারছি না। কারণ তাঁর দুই চোখে জটিল সমস্যায় ভুগতেন। তাকে ভিড়, সূর্যের আলো ও ক্লান্তি এড়িয়ে চলতে হত। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর কিছু লোক তাঁর পক্ষ থেকে বদলি হজ্জ আদায় করেছেন। আমার মনে হয় আলাদা আলাদাভাবে তারা তিনজন। তারা কেউ তাঁর আত্মীয়-স্বজন নয়। 
আমি আমার বাবাকে অনেক ভালবাসি। যারাই বাবার সাথে পরিচিত হয়েছেন সবাই তাকে ভালবাসতেন। তাই আমি আপনাদের কাছে প্রত্যাশা করি, বাবার প্রতি আমার সদাচরণ হিসেবে আমি এখন কী করতে পারি? আমি তাকে ভালবাসি। তার ব্যাপারে কবরের আযাব ও কিয়ামত দিবসের আযাবের আশংকা করছি।

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮

আলেম কে?

আলেম কে?



আলেম কে?

প্রশ্ন: কার ক্ষেত্রে “আলেম” অভিধা ব্যবহার করা সঠিক? “ইসলাম শিক্ষা”-র শিক্ষকের ক্ষেত্রে কি এই অভিধা ব্যবহার করা ঠিক হবে? নাকি শুধুমাত্র বড় পর্যায়ের শাইখদের ক্ষেত্রে? কারণ এ ইস্যুটি আমাদের দেশ নাইজেরিয়াতে সালাফিদের পরিমণ্ডলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৮

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা থাকা কি আবশ্যকীয়

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা থাকা কি আবশ্যকীয়



স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা থাকা কি আবশ্যকীয়

প্রশ্ন: ইসলামে এমন কোন দলিল আছে কি যা স্বামী-স্ত্রীর একে অপরকে ভালোবাসা আবশ্যক করে? যদি উত্তর হয়: ভালোবাসা থাকা আবশ্যক, তাহলে একজন পুরুষ কিভাবে একাধিক নারীকে বিয়ে করতে পারে?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

প্রচণ্ড শীতের দিনে ফরজ গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করা

প্রচণ্ড শীতের দিনে ফরজ গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করা


প্রচণ্ড শীতের দিনে ফরজ গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করা

প্রশ্ন: প্রচণ্ড শীতের দিনে গোসল ফরজ হলে আমি কি তায়াম্মুম করে নামায পড়তে পারি? উল্লেখ্য, যে সরঞ্জামাদি থাকলে আমি অবিলম্বে পবিত্র হতে পারি সেগুলো আমার কাছে নেই। তাছাড়া আমি ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত; আমার পিঠ রোগগ্রস্ত, আমাকে সাংঘাতিক কষ্ট দিচ্ছে।

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮

অলসতা করে নামায বর্জন করা

অলসতা করে নামায বর্জন করা



অলসতা করে নামায বর্জন করা

প্রশ্ন: আমি যদি অলসতা করে নামায না পড়ি আমি কি কাফের হিসেবে গণ্য হব? নাকি গুনাহগার মুসলমান হিসেবে গণ্য হব?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

ইমাম আহমাদ এর মতানুযায়ী, অলসতা করে নামায বর্জনকারী কাফের এবং এটাই অগ্রগণ্য মত। কুরআন, হাদিস, সফলে সালেহীন এর বাণী ও সঠিক কিয়াস এর দলিল এটাই প্রমাণ করে। [আল-শারহুল মুমতি আলা-যাদিল মুসতানকি (২/২৬)]

রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৭

হস্তমৈথুনের হুকুম এবং এটা থেকে বাঁচার উপায়

হস্তমৈথুনের হুকুম এবং এটা থেকে বাঁচার উপায়



হস্তমৈথুনের হুকুম এবং এটা থেকে বাঁচার উপায়

প্রশ্ন: আমার একটি প্রশ্ন আছে, আমি সে প্রশ্নটি পেশ করতে লজ্জাবোধ করছি। এক বোন নতুন ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি প্রশ্নটির জবাব জানতে চান। কুরআন-হাদিসের দলিল ভিত্তিক এ প্রশ্নের জবাব আমার জানা নেই। আমি আশা করব, আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন। আমি আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করছি, যদি আমার প্রশ্নটি অশালীন হয় তাহলে তিনি যেন আমাকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু, মুসলিম হিসেবে জ্ঞানার্জনে আমাদের লজ্জাবোধ করা উচিত নয়। 
সে বোনের প্রশ্ন হচ্ছে– হস্তমৈথুন করা কি ইসলামে জায়েয?

সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৭

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?



নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?

ভূমিকা
আল্লাহ তাআলার যাবতীয় প্রশংসা এবং নবী  মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি অসংখ্য দরূদ এবং সালাম বর্ষিত হোউক!
সউদী  আরবে আল খাফজী শহরে ইসলামিক গাইডেন্স সেন্টারে সাপ্তাহিক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের প্রশ্নের সম্মুখিন হতাম। তম্মধ্যে একটি অন্যতম প্রশ্ন প্রায় প্রায় করা হত।
প্রশ্নটি হলঃ ‘নবী (সা:) নূরের তৈরী না মাটির তৈরী?’ আদম সন্তান তো মাটিরই হয় কিন্তু লোক কেন এ প্রশ্ন করছিল?

মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা


জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা



জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

সূচীপত্র
বিষয়ঃ
ভূমিকা
একটি সতর্কবাণীঃ (জামাআতে নামায পড়ার হুকুম)
আল্লাহ তাআলার আদেশের আনুগত্য
দ্বীনের উদ্দেশ্য এবং ইসলামের প্রতিক
আল্লাহর ঘরের আবাদ এবং ঈমানের সাক্ষ্য প্রদান
আল্লাহ কর্তৃক প্রশংসা এবং মহাপুরস্কার

বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য - ফ্রি ডাউনলোড




বই: আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য 
লেখক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আল-মাদানী
লিসান্স: মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদিআরব
(সৌদী আরবের আল-মাজমাআ অঞ্চলের দাওয়াত সেন্টারে কর্মরত দাওয়াত-কর্মী এবং বাংলা ভাষার প্রসিদ্ধ লেখক ও অনুবাদক।)

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: এ বইয়ে লেখক কনে দেখা, দেন মোহর, বিবাহ বন্ধন, অলীমাহ, স্বামী-স্ত্রীর পরস্পর অধিকার, তালাক, ইদ্দত, ইস্তিহাযা, নিফাস, গর্ভ-ধারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বৈবাহিক ও দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় বিষয়ে খুব সুন্দর আলোচনা করেছেন।

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড


বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড

সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রবণতা রয়েছে ফাযীলাত বিষয়ক আমল গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেয়ার। কিন্তু বেশী ফাযীলাত পাওয়ার নেশায় পড়ে আমাদের মাঝে অনেকেই যইফ ও জাল হাদীসের উপর আমাল করে আমল বিনষ্ট করছি। এমনকি ফাযায়িল সম্পর্কিত বই গুলোতে শুধু জাল যইফ হাদীস নয় বরং শিরক ও বিদআতের যেমন আলোচনা এসেছে যা আমাদেরকে শিরক  ও বিদআতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ফাযীলাত সম্পর্কিত হাদীস গুলোর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ হাদীসগুলোই সমালোচিত। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের আমল এই এক চতুর্থাংশ হাদীসগুলো নিয়ে কিন্তু বাকী তিন-চতুর্থাংশহাদীস নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। আবার কুরআনেও যে ফাযীলাত সম্পর্কিত আয়াতগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। এই বইটিতে প্রথমেই কুরআনের আলোকে ফযীলাত সম্পর্কিত আয়াত গুলো আলোচিত হয়েছে। আবার আমলের ফাযীলাত সম্পর্কে আমরা অবগত হলেও আক্বীদার গুরুত্ব ও এর ফাযীলাত সম্পর্কিত যে কুরআনের আয়াত ও হাদীস গুলো এসেছে তা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। অথচ সব আমল কবূলের পূর্বশর্তই হলো আক্বীদা সঠিক হওয়া।

বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭

অহংকার থেকে মুক্তির উপায়

অহংকার থেকে মুক্তির উপায়



প্রশ্ন: কিভাবে একজন মানুষ অহংকার থেকে মুক্তি পেতে পারে?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

এক:

অহংকার একটি খারাপ গুণ। এটি ইবলিস ও দুনিয়ায় তার সৈনিকদের বৈশিষ্ট্য; আল্লাহ যাদের অন্তর আলোহীন করে দিয়েছেন।

শুক্রবার, ৫ মে, ২০১৭

কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো‘আ

কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো



কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো 

·   ﴿ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَقُلۡ حَسۡبِيَ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ عَلَيۡهِ تَوَكَّلۡتُۖ وَهُوَ رَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡعَظِيمِ ١٢٩ ﴾ [التوبة: ١٢٩]
(উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রব্বুল আরশিল আযীম),
অর্থ: ‘আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কোনো (হক্ব) মাবূদ নেই আমি তাঁরই উপর ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের রব্ব’ (তওবাহ ১২৯)

সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৭

কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!

কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!







কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!

১-কুর’আন নাযিলের উদ্দেশ্য বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছেন !

আপনি যদি কুর’আনের অর্থ না বুঝেই কেবল উচ্চারণ করে পড়তে থাকেন, তাহলে কুর’আন নাযিলের মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন,

“এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসূহ লক্ষ্য করে এবং বুদ্ধিমানগণ যেন তা অনুধাবন করে”। [সূরা সা’দ ২৯]

কিভাবে এই উদ্দেশ্য আমাদের দ্বারা বাস্তবায়িত হবে যদি আমরা কুর’আন কি বলছে তা বুঝতে না পারি!
কোন ব্যক্তির পক্ষে কি সর্বদা অনুবাদ বহন করা সম্ভব, কিংবা সালাতে যখন কুর’আন তিলাওয়াত করা হয় তখন কি আমাদের পক্ষে কুর’আনের অনুবাদ বহন করা সম্ভব?