বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য - ফ্রি ডাউনলোড




বই: আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য 
লেখক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আল-মাদানী
লিসান্স: মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদিআরব
(সৌদী আরবের আল-মাজমাআ অঞ্চলের দাওয়াত সেন্টারে কর্মরত দাওয়াত-কর্মী এবং বাংলা ভাষার প্রসিদ্ধ লেখক ও অনুবাদক।)

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: এ বইয়ে লেখক কনে দেখা, দেন মোহর, বিবাহ বন্ধন, অলীমাহ, স্বামী-স্ত্রীর পরস্পর অধিকার, তালাক, ইদ্দত, ইস্তিহাযা, নিফাস, গর্ভ-ধারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বৈবাহিক ও দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় বিষয়ে খুব সুন্দর আলোচনা করেছেন।

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড


বইঃ ফাযায়িলে আ‘মাল - ফ্রি ডাউনলোড

সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রবণতা রয়েছে ফাযীলাত বিষয়ক আমল গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেয়ার। কিন্তু বেশী ফাযীলাত পাওয়ার নেশায় পড়ে আমাদের মাঝে অনেকেই যইফ ও জাল হাদীসের উপর আমাল করে আমল বিনষ্ট করছি। এমনকি ফাযায়িল সম্পর্কিত বই গুলোতে শুধু জাল যইফ হাদীস নয় বরং শিরক ও বিদআতের যেমন আলোচনা এসেছে যা আমাদেরকে শিরক  ও বিদআতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ফাযীলাত সম্পর্কিত হাদীস গুলোর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ হাদীসগুলোই সমালোচিত। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের আমল এই এক চতুর্থাংশ হাদীসগুলো নিয়ে কিন্তু বাকী তিন-চতুর্থাংশহাদীস নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। আবার কুরআনেও যে ফাযীলাত সম্পর্কিত আয়াতগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। এই বইটিতে প্রথমেই কুরআনের আলোকে ফযীলাত সম্পর্কিত আয়াত গুলো আলোচিত হয়েছে। আবার আমলের ফাযীলাত সম্পর্কে আমরা অবগত হলেও আক্বীদার গুরুত্ব ও এর ফাযীলাত সম্পর্কিত যে কুরআনের আয়াত ও হাদীস গুলো এসেছে তা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। অথচ সব আমল কবূলের পূর্বশর্তই হলো আক্বীদা সঠিক হওয়া।

বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭

অহংকার থেকে মুক্তির উপায়

অহংকার থেকে মুক্তির উপায়



প্রশ্ন: কিভাবে একজন মানুষ অহংকার থেকে মুক্তি পেতে পারে?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।

এক:

অহংকার একটি খারাপ গুণ। এটি ইবলিস ও দুনিয়ায় তার সৈনিকদের বৈশিষ্ট্য; আল্লাহ যাদের অন্তর আলোহীন করে দিয়েছেন।

শুক্রবার, ৫ মে, ২০১৭

কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো‘আ

কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো



কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত কতিপয় যিক্‌র-আযকার ও দো 

·   ﴿ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَقُلۡ حَسۡبِيَ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ عَلَيۡهِ تَوَكَّلۡتُۖ وَهُوَ رَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡعَظِيمِ ١٢٩ ﴾ [التوبة: ١٢٩]
(উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রব্বুল আরশিল আযীম),
অর্থ: ‘আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কোনো (হক্ব) মাবূদ নেই আমি তাঁরই উপর ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের রব্ব’ (তওবাহ ১২৯)

সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৭

কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!

কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!







কুর’আনের অর্থ না বুঝার কারণে আপনি প্রতিদিন যে ১০টি জিনিস হারাচ্ছেন!

১-কুর’আন নাযিলের উদ্দেশ্য বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছেন !

আপনি যদি কুর’আনের অর্থ না বুঝেই কেবল উচ্চারণ করে পড়তে থাকেন, তাহলে কুর’আন নাযিলের মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন,

“এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসূহ লক্ষ্য করে এবং বুদ্ধিমানগণ যেন তা অনুধাবন করে”। [সূরা সা’দ ২৯]

কিভাবে এই উদ্দেশ্য আমাদের দ্বারা বাস্তবায়িত হবে যদি আমরা কুর’আন কি বলছে তা বুঝতে না পারি!
কোন ব্যক্তির পক্ষে কি সর্বদা অনুবাদ বহন করা সম্ভব, কিংবা সালাতে যখন কুর’আন তিলাওয়াত করা হয় তখন কি আমাদের পক্ষে কুর’আনের অনুবাদ বহন করা সম্ভব?

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭

আল্লাহর উপর ভরসা

আল্লাহর উপর ভরসা


আল্লাহর উপর ভরসা

আল্লাহ্ তাআলার উপর ভরসা ইসলামে একটি বিরাট বিষয়। এর গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। আল্লাহর প্রতি ভরসা ছাড়া কোন বান্দাই কোন মূহুর্ত অতিবাহিত করতে পারে না। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে। কেননা এর মাধ্যমে আল্লাহর তাওহীদের সাথে সম্পর্ক গাড় ও গভীর হয়। আল্লাহ্ বলেন:
وَتَوَكَّلْ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ
“আর ভরসা কর সেই জীবিত সত্বার (আল্লাহর) উপর, যিনি কখনো মৃত্যু বরণ করবেন না।” [সূরা ফুরক্বান-৫৮]

শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০১৭

বিয়ের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ

বিয়ের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ



বিয়ের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ

প্রশ্ন: বিয়ের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ কি ছিল (মোহরানা, বিয়ের অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা...)? আশা করি বিস্তারিত জানাবেন।

উত্তর:

আলহামদুলিল্লাহ।

কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?

কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?



কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?

প্রশ্ন: নামায বর্জনকারী কি সম্পূর্ণভাবে অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? যে ব্যক্তি দুই ঈদের নামায পড়ে, কখনও কখনও জুমার নামায পড়ে, কখনও কখনও পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের কোন ওয়াক্ত পড়ে সে ব্যক্তি কি “যে মোটেই নামায পড়ে না” তার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? “মোটেই নামায পড়ে না” এ কথাটির ব্যাখ্যা কি?

উত্তর:

আলহামদুলিল্লাহ।